বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রবর্তিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ প্রান্তিক নারী সমাজ ও কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে একটি বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পটি খুব অল্প সময়ে জনগণের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে এবং সাড়া জাগিয়েছে।
তবে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, মাঠপর্যায়ে এই কার্ড বিতরণের কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এক গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস মিলছে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত এই নিয়োগে আওয়ামী পরিবার ও জামায়াত চক্রের অনুসারীদের প্রাধান্য দেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা সরকারের এই জনপ্রিয় কর্মসূচিকে ভণ্ডুল করার একটি গভীর নীলনকশা বলে বিশেষজ্ঞগণ মনে করছেন।
নিকট অতীত ষড়যন্ত্রের দৃষ্টান্ত:
নিকট অতীতেও বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বিরোধী দল ও মহল বিশেষের অপচেষ্টা দেশবাসী দেখেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতির সময়ে সরকার সফলভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলেও এই গুপ্ত বাহিনী কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা চালিয়েছিল। সমগ্র দেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে হাজার হাজার গাড়ির কৃত্রিম লাইন তৈরি করা হয় এবং তেল কিনে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাও ঘটানো হয়। গুপ্ত দলের ব্যবসায়ীরা ড্রামভর্তি করে তেল গোপনে মজুত করে সংকট তীব্র করে তোলেছিলো। যা সংবাদ মধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।
নাটকীয় অবসান:
সরকার যেদিন বিরোধী দলের সাংসদের নিয়ে জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনের জন্য কমিটি করা হয়েছিলো পর দিন দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গিয়েছিলো। হঠাৎ করেই পাম্পগুলোতে আর কোনো গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি।
এ থেকেই স্পষ্ট প্রতিয়মান হয় যে, সরকারের সাফল্যকে ম্লান করতে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এগুলো ছিল বিরোধী জামা জোটের সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
বর্তমান ঝুঁকি ও আশঙ্কা:
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল কার্যক্রমে যদি আওয়ামী দোসর ও জামাতের কর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া অব্যাহত থাকে, তবে তা সরকারের জন্য ভবিষ্যতে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। এই কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হলে তা সরকারের জন্য গুরুতর অশনি সংকেত বয়ে আনবে। সরকারকে মনে রাখতে হবে এটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য করা কর্মসূচি। আর একবার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিভ্রান্ত করা গেলে তা মোকাবিলা করা সরকারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
সুনির্দিষ্ট করণীয়:
জনপ্রিয় এই কল্যাণমুখী প্রকল্পের সুরক্ষা এবং সরকারের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে অবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপে গ্রহণ করা জরুরি:
জরুরি তদন্ত: দেশের যেসব উপজেলা থেকে কর্মী নিয়োগে অনিয়ম ও বিরোধীদের অনুপ্রবেশের খবর আসছে, সেখানে তাৎক্ষণিক উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।
কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা: তদন্তে সংশ্লিষ্ট ইউএনও, সমাজসেবা কর্মকর্তা বা অন্য কোনো কর্মকর্তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া মাত্রই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
জিরো টলারেন্স: এ বিষয়ে সামান্যতম শৈথিল্য বা নমনীয়তা প্রদর্শন করা হলে তা সরকারের সামগ্রিক অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে, যা কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা সমীচীন হবে না।
মোঃ লুৎফুল হাই ভূঁইয়া
প্রতিষ্ঠাতা,সভাপতি
তারেক রহমান সাইবার ফোরাম (TRCF)
Mahdi Amin, Abm Mosharrof Hossain, Adv Abdul Mannan, Nilufar Chowdhury Moni, Advocate Fahima Nasrin Munni, Nadia Pathan Papon, Momtaj Alo, Helen Jerin Khan, Shammi Akther, Mahmuda Habiba, Shakila Farzana, Adv Arifa Sultana Ruma,
Barr Abdul Mazid Taher, Sayedul Islam Montu,
Ashraf Kaiser, Maruf Kamal Khan, Wasim Iftekharul Haque, Imtiaz Mirza – ইমতিয়াজ মির্জা, Nasimul Gani Khan, Nasir Uddin Nasir, Mamun Hassan, Zintu Ahmed, Adv Anwarul Islam, Kamrul Ahsan Nomani,

